সাত পাকে বাঁধার লাল হলুদ লালসার বলি ডার্বি - একটি প্রতিবেদন



কিছু মানুষ আছে যারা মুখে বলে এক আর করে অন্য কিছু, বলে সেটা, যেটা সবাই পছন্দ করবে, হাততালি দেবে, সাবাসি দেবে ধন্য ধন্য করবে, তাতে নিজের আর পারিপার্শ্বিক পপুলারিটি বাড়বে টিআরপি বাড়বে, কিন্তু সকলের সামনে থেকেই যে কাজ টা করবে তাতে মিশে যাবে লোভ আর লালসার কদর্য এক ভয়ানক মানসিকতা।

এই যেমন আমাদের পড়শি ক্লাবের সমাজের মাথা উচু করা কিছু কর্মকর্তা, বেশ কিছুদিন ধরে ইটিভির পরদায় আসছেন, হাসি হাসি মুখে সঞ্চালকের সাথে কথোপকথন করছেন, ওনাদের কথা শুনে সত্যি মাঝে মাঝে মনে করতে ইচ্ছে করছিলো ইয়েস, এনারা সত্যি ডার্বির ব্যাপারে কতোখানি নমনীয় , কতখানি মানিয়ে নেবার মানসিকতা, সত্যি কতো বড় মন এনাদের

মানুষ মাত্রই ভুল করেন, এই এনারাই আগের ৬ বার রেফারী ম্যানেজ করেছেন আর সেটা খবরে কাগজে বড় বড় অক্ষরে ছেপেছে বলে এরা সত্যি লজ্জিত এভাবে গোপন ভান্ডা সকলের সামনে প্রকাশ হয়ে যাওয়াতে। কিন্তু কোথায় কি? সব শেষেতো ঝুলি থেকে বেড়ালটা বেরিয়েই পড়লো?

এই যে মশাইরা, কি বলেছিলেন আপনারা কাগজে? জোরে জোরে চিৎকার করে বলেছিলেন মোহনবাগান চাইলে আমরা ডার্বি মঙ্গলে গিয়েও খেলতে রাজি, আমরা মোহনবাগানের সাথে খেলতে চাই - মনে পরে কল্যান বাবু? আর শান্তিরঞ্জন বাবু আপনি কি বলেছিলেন? সকলের সামনে ইটিভিতে? আমরা মোহনবাগানের সাথে শিলিগুড়ি, কল্যাণী কলকাতা যেখানে বলবে সেখানে খেলতে রাজি, যবে বলবে তবে খেলতে রাজি - কোথায় গেলো এই কথাগুলো?

ডার্বির শিডিউল দেওয়া হচ্ছে প্রতি সপ্তাহে, ডার্বি হতো ২৫/২৬ আগস্ট, সেটা চেঞ্জ হয়ে ৭ই সেপ্টেম্বর হতে পারে, আইএফএ চাইলে ডেট চেঞ্জ হতেই পারে ইষ্টবেঙ্গল চাইলে ডেট চেঞ্জ হতেই পারে আমরা তো একদিন পরে চেয়েছিলাম? ৭ এর বদলে ৮ এ ব্যাস ...... খেয়ে গেলেন ডিগবাজি ওয়াহ ...... খুব অসুবিধা হতো নাকি একদিন পরে ম্যাচটা খেললে, সেটিং এর নেটওয়ার্কটা ঘেঁটে যাবার ভয়?

যে করেই হোক সাতে সাত করতে হবে, কলকাতা ফুটবল লীগের সাথে মালাবদল করতেই হবে, কিন্তু পথের কাঁটা মোহনবাগান সমর্থকরা বছরের শুরু থেকেই প্যাঁক দিতে শুরু করেছিল, আওয়াজ দিতে শুরু করেছিল আগের বছর গুলোতে রেফারী সম্বর্ধনা ঘিরে, যা কি হবে ? তাই সেটিং হোল গোপনে।এমন সেটিং হোল যে ৩০০০০ দর্শকের সামনে আপনাদের কেনা রেফারী অ্যাসোসিয়েশন গোল বাতিলের হ্যাট্রিক করে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করে ফেলল।

তাহলে আর কি? পথের কাঁটাকে না খেলেই সরিয়ে দেবার নিপুণ চক্রান্ত দুর্দান্ত ভাবে সফল - সাতে সাত কলকাতা।

কিন্তু মশাইরা সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে কতদিন ট্রফিহারা হয়ে থাকবেন ?
Share on Google Plus

About Pradip Hazra

This is a short description in the author block about the author. You edit it by entering text in the "Biographical Info" field in the user admin panel.

0 comments :

Post a Comment